ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা-এর সোনাপুর ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে ১৪ বছর বয়সী এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অনশনে বসেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার নাহিদ (ফরিদ মিয়ার ছেলে) দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে মেয়েটি নিজেকে বিপাকে পড়ে বিয়ের দাবিতে নাহিদের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। প্রায় এক বছরের সম্পর্কের “পূর্ণতা” হিসেবে তিনি বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত নাহিদ হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং পরবর্তীতে তার বাড়ির সামনে অনশনে বসে।
এ ঘটনায় এখনো নাহিদ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভোলার বিভিন্ন এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রেম, প্রতারণা এবং বিয়ের দাবিতে অনশনের ঘটনা বাড়ছে, যা একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি কিশোরীদের মানসিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে তারা মনে করছেন।
এলাকাবাসী ও প্রশাসন উভয়ই দ্রুত সমাধান ও হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে পরিস্থিতি আরও জটিল না হয়।