মামির সঙ্গে ভাগ্নের অবৈধ সম্পর্কের জেরে অন্তরঙ্গ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে মারধরের পর তাদের বিয়ে দেওয়ার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি ভারতের বিহারের বৈশালীর রোহুয়া গ্রামে ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এই ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা বা সময়কাল স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, গ্রামের এক বধূ এবং এক তরুণকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরে আটকে রেখেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এ সময় মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণ এবং অনবরত কাঁদতে থাকা ওই বধূকে মাঝেমধ্যেই মারধর ও কটূক্তি করা হচ্ছিল।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, গ্রামের এক বধূ এবং এক তরুণকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরে আটকে রেখেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এ সময় মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণ এবং অনবরত কাঁদতে থাকা ওই বধূকে মাঝেমধ্যেই মারধর ও কটূক্তি করা হচ্ছিল।
ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী, সম্পর্কে তারা মামি এবং ভাগ্নে। হাতেনাতে ধরার পর গ্রামবাসীরা তাদের স্থানীয় একটি মন্দিরে নিয়ে যান এবং সেখানে জোরপূর্বক তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, পরিস্থিতির চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত যুগলের সম্মতিতেই এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
'ঘর কা কলেশ' নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিওটি পোস্ট করার পর তা মুহূর্তের মধ্যে লাখ লাখ মানুষের নজরে আসে। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
'ঘর কা কলেশ' নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ভিডিওটি পোস্ট করার পর তা মুহূর্তের মধ্যে লাখ লাখ মানুষের নজরে আসে। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই যেমন বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসাত্মক ও মজার মন্তব্য করেছেন, তেমনই আবার অনেকে বর্তমান সমাজে পরকীয়ার হার বৃদ্ধি নিয়ে তীব্র বিরক্তি ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি, ঘটনার আকস্মিকতায় ওই বধূর সাবেক স্বামী অর্থাৎ মামার মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন অনেক নেটাগরিক।