পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত আসামী মুকুল আত্মগোপনে ছিল। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সাদা পোশাকের (সিভিল) পুলিশের একটি দল সতীতলা সাহেব বাজারের বিভিন্ন হোটেলে গোপন অবস্থান করে (ওঁত পেতে) ছিল।