মানিকগঞ্জ জেলায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অন্তত ১৪টি গুরুতর চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গরু খামার এবং কবরস্থানসহ সবক্ষেত্রে সক্রিয় অপরাধী চক্রের হাত থমকে নেই।
উল্লেখযোগ্য ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
৭ ফেব্রুয়ারি: সিংগাইরের হাতনি কবরস্থানে পাঁচটি কবর খুঁড়ে মাথার খুলি চুরি।
৮ ফেব্রুয়ারি: রাইজিং গ্রুপ কারখানায় ২০-২৫ জন মুখোশধারী ডাকাতের সশস্ত্র লুটপাট; ১২ জন গ্রেফতার।
২৬ জুন: সাতটি গরু চুরি; থানার কর্মকর্তা তিনজনকে পুলিশের লাইন ক্লোজড।
১৮ জুলাই: অর্ধকোটি টাকার স্বর্ণ ও নগদ চুরি।
৫ আগস্ট: কাঠ ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি; ১৮ ভরি স্বর্ণ ও ১২ লাখ টাকা লুট।
১৭ আগস্ট: গরু লুটের সময় খামারিকে হত্যা; ৮ জন গ্রেফতার।
২১ আগস্ট: শহরের শিববাড়ি মহল্লায় দেড় লাখ টাকা ও সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ লুট।
১ সেপ্টেম্বর: আদালত চত্বরে মোটরসাইকেল চুরি; যুবক আটক।
৩ সেপ্টেম্বর: একই রাতে দুই বাড়িতে চুরি; নগদ, স্বর্ণ ও মোবাইল লুট।
২২ সেপ্টেম্বর: প্রবাস ফেরত নারী খুন এবং শহরে গরু লুট।
২৬ সেপ্টেম্বর: দোকান থেকে ১৩৩ বস্তা চাল চুরি।
৩০ অক্টোবর: মোবাইল শোরুমে ১০ লাখ টাকার ফোন চুরি; ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ চলছেই।
দশ মাসে এই ধরনের একের পর এক ঘটনা মানিকগঞ্জবাসীর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়েছে। শহর ও গ্রামে অপরাধী চক্র সক্রিয় থাকায় স্থানীয় প্রশাসন, জনসচেতনতা, পাহারা দল এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা আরও জোরদার হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি: “উদ্বেগ নয়, নিরাপত্তা চাই।”