ঠাকুরগাঁও–১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, এবারের নির্বাচনে জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে নিজেদের মত প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ থাকবে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন। যদিও কিছুটা শঙ্কা থেকেই যায়, তবে তিনি বিশ্বাস করেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “গত ১৬ বছর ধরে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে রাষ্ট্র সংস্কারের পথও উন্মুক্ত হবে।”
নির্বাচনের ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা সব সময় নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি। ২০০৮ সালে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসন পেলেও আমরা সংসদে অংশ নিয়েছিলাম। এবার আমরা আশাবাদী—বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে।”
জামায়াত ও প্রতিপক্ষের মাঠ গোছানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জামায়াত একটি কৌশলী দল। তারা অপপ্রচার চালায়, ধর্মকে ব্যবহার করে এবং চরিত্র হননের চেষ্টা করে। ভুয়া তথ্য ছড়ানোর চেষ্টাও করছে। তবে আমি জনগণকে বোকা মনে করি না। অন্যদিকে বিএনপি ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা প্রতিপক্ষকে কখনোই দুর্বল মনে করি না—তাকে সবল ধরেই আমাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করি।”
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, দলের অন্যান্য নেতাকর্মী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।