কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পাঁচ বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সকালে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাব খাঁ গ্রামে এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শফিকুল ওই গ্রামেরই বাসিন্দা এবং পেশায় একজন দিনমজুর।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে শিশুটি বাড়ির উঠানে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করার সময় প্রতিবেশী শফিকুল ইসলাম খাবার কিনে দেওয়ার কথা বলে তাদের স্থানীয় একটি দোকানে নিয়ে যান। সেখানে কৌশলে অন্য শিশুদের বিদায় করে দিয়ে ফেরার পথে রাস্তার পাশের একটি শৌচাগারে নিয়ে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে ২০ টাকা দিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকিও প্রদান করেন। তবে শিশুটি বাড়ি ফিরে তার মাকে বিস্তারিত জানালে পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শফিকুলকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে, যদিও অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার চরম ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, শফিকুলের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই তারা তাকে প্রতিবেশী হিসেবে বিভিন্নভাবে মানবিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছিলেন। এমন একজন পরিচিত ও আশ্রিত ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের ঘৃণিত ও পাশবিক কাজ তারা কোনোভাবেই কল্পনা করতে পারছেন না। ঘটনার পর রক্তাক্ত ও অসুস্থ শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার চরম ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, শফিকুলের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই তারা তাকে প্রতিবেশী হিসেবে বিভিন্নভাবে মানবিক ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছিলেন। এমন একজন পরিচিত ও আশ্রিত ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের ঘৃণিত ও পাশবিক কাজ তারা কোনোভাবেই কল্পনা করতে পারছেন না। ঘটনার পর রক্তাক্ত ও অসুস্থ শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বর্তমানে ভুক্তভোগীর পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দারা এই নরপিশাচের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশিদ জানান, এই ঘটনায় শিশুটির পরিবার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে, যা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)’-এর ৯ (২) ধারায় নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।