Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / প্রশাসন / মুরাদনগরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ৮ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি - Chief TV

মুরাদনগরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ৮ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি - Chief TV

2026-05-01  সৈয়দ আবু ইউসুফ, বিশেষ প্রতিনিধি  38 views
মুরাদনগরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, ৮ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি - Chief TV

কুমিল্লার মুরাদনগরে স্কুল থেকে ফেরার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনার ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গত ২২ এপ্রিল দুপুরে মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মটকিরচর এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পাশের হোমনা থানার কুটুমবাড়ি এলাকার একটি নির্জন স্থানে ধর্ষণ করা হয়। ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মুরাদনগর থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম (২৩) উপজেলার রামপুর এলাকার হাকিম মিয়ার ছেলে। ঘটনার ৮ দিন পরেও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২২ এপ্রিল সকালে হারপাকনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যায় ওই ছাত্রী। দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে মটকিরচর ঈদগাহর সামনে পৌঁছালে একই গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও এক অজ্ঞাত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে হোমনা থানার কুটুমবাড়ি সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। বিকেলে তাকে স্কুলের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। রক্তাক্ত ও বিধ্বস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয় ওই ছাত্রী। ঘটনার দুদিন পর ২৪ এপ্রিল তার মা থানায় মামলা করেন।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, আমার স্বামী নেই। আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হলো। আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং বারবার মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। ভয়ে বাড়িতেও থাকতে পারছি না। পুলিশ আসামি ধরছে না। আমরা ন্যায়বিচার পাব কিনা সেই শঙ্কায় আছি। প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচার চাই।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুরাদনগর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন বলেন, মামলার পর ভুক্তভোগীকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত সাইফুল আত্মগোপনে চলে গেছে। তদন্ত কাজ চলমান রয়েছে এবং গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার দুদিন পর ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় আসে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে মামলা রেকর্ড করে অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগছে।


Share: