প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার চাইলে পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে পারবে অথবা বাতিলও করতে পারবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে শুধু পে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না। কমিশনের সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আর্থিক সক্ষমতাসহ সব বিষয় পর্যালোচনা করে মতামত দেবে। পরবর্তী সরকার চাইলে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার সুযোগ রাখবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অসন্তোষ ছিল। নির্বাচিত সরকার যেন সেই চাপের মুখে না পড়ে, সে কারণেই অন্তর্বর্তী পে কমিশন গঠন করা হয়।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের একটি পে কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
প্রতিবেদনে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে প্রথম গ্রেডে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।