মূলত ভোর থেকেই অঞ্চলজুড়ে কুয়াশা আর শিশির ভেজা প্রকৃতিতে ঠান্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সন্ধ্যার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বেড়ে চলছে।
স্থানীয়দের মতে, সাধারণত নভেম্বরের শুরুতে শীত বাড়তে দেখা যায়। তবে কয়েক বছর ধরে শীত আগেভাগেই এসে পড়ছে।
এদিকে নতুন ধান ঘরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় নবান্নের আনন্দ বইছে। গোলার নতুন ধানের সুবাস আর বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পুলিতে গ্রামীণ জনপদে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই হাট-বাজারে পিঠার দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন ভোজনরসিকরা।
অন্যদিকে তীব্র শীতের মাঝেও জীবিকার টানে সকাল থেকেই কাজে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। চা বাগান, খনি এবং নদীঘাট এলাকায় শ্রমিকদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
তবে, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও হাঁপানির মতো ঠান্ডাজনিত রোগ বাড়ছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, হিমালয়–কাঞ্চনজঙ্ঘার নিকটবর্তী হওয়ায় এ অঞ্চলে শীত আগেই আসে। এদিন সকাল ৯টায় এবং ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন পর্যন্ত তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রির নিচে নামেনি।