নড়াইল সদর উপজেলায় বাচ্চাদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মোস্তফা কাজি নামের ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের মহারাগ গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মোস্তফা কাজি ওই ইউনিয়নের পলাইডাঙ্গা গ্রামের মৃত আলমাস কাজির ছেলে। তিনি বেশ কয়েক বছর আগে পলাইডাঙ্গা গ্রাম ছেড়ে একই ইউনিয়নের মহারাগ গ্রামে নতুন বাড়ি তৈরি করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলেন। নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে ভদ্রবিলা বাজার সংলগ্ন প্রাইমারী স্কুল মাঠে বাচ্চাদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের শিশুদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও মারামারি হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে ভদ্রবিলা বাজার সংলগ্ন প্রাইমারী স্কুল মাঠে বাচ্চাদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের শিশুদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও মারামারি হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরই জের ধরে শুক্রবার বিকেলে মোস্তফা কাজি মহারাগ গ্রামের বাড়ি থেকে ভদ্রবিলা বাজারে আসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে একা পেয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও তাঁর স্বজনরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভদ্রবিলা ও মহারাগ গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভদ্রবিলা ও মহারাগ গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, বাচ্চাদের খেলার সূত্র ধরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।