রমজান মাসে রোজা রাখার মাধ্যমে শরীরের স্বাস্থ্যের ওপর অনেক ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণা এ কথা প্রমাণ করেছে।
শারীরিক সুফল
রোজা রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
ব্লাড প্রেসার ও রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
শরীরের অতিরিক্ত মেদ দূর করতে সহায়ক।
গবেষণায় দেখা গেছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনের ৯১টি গবেষণায় রমজানে রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। লন্ডনের পাঁচটি মসজিদে ২০১৯ সালে করা ‘লন্ডন রামাদান স্টাডি’-তে দেখা যায়, রোজা রাখার পর সিস্টোলিক ব্লাড প্রেসার ৭ মিলিমিটার মার্কারি কমে, আর ডায়াস্টোলিক ৩ মিলিমিটার মার্কারি কমে।
রোজা ও সুস্থ খাদ্যাভ্যাস
সেহরি ও ইফতারের সময় নিয়মিত এবং পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি।
অতিরিক্ত খাবার শরীরের শক্তি বাড়ানোর বদলে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
খেজুর দিয়ে ইফতার করা নবীজীর (সা.) সুন্নত।
অসুস্থতার ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা
কুরআনুল কারিমে বলা হয়েছে, অসুস্থ বা সফরে থাকা ব্যক্তি রোজা পরে আদায় করতে পারেন। আল্লাহ সহজতা চান, কষ্ট নয়। তাই রোগী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে রোজা পরবর্তীতে রাখতে হবে।
উপসংহার
রোজা শুধু আধ্যাত্মিক নয়, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত রোজা রাখার মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শক্তি ও সুস্থতা অর্জন সম্ভব।