কখনো শীত, তো কখনো গরম। আজব আবহাওয়া। ঘর থেকে গরম পোশাক পরে বের হয়ে মাঝ রাস্তাতেই খুলে ফেলতে হয়। আর এর ফলে টুক করেই লাগছে ঠাণ্ডা। পরিণাম, সারা দিন ধরেই শুকনা কাশি। আর রাতে শোয়ার পরে সেই কাশি বাড়ছে কয়েক গুণ। কাশির ওষুধেও কাজে দিচ্ছে না। উল্টো কাশি আরো বাড়ছে। এ ছাড়া সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব। এসব সমস্যা সমাধানের উপায় কিছু ঘরোয়া উপাদানে। কী করবেন, তারই রইল সহজ টিপস। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।
মধু
ছোটবেলা থেকেই জেনে আসছেন মধু কাশি দমনে দারুণ উপকার করে। তাই মধুকেই বেছে নিন প্রথমে। প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পেটে এক চামচ করে মধু খান। এতে সারা দিনের খুসখুসে কাশি যেমন দূরে হবে, তেমনি বুকে কফ জমলে তা-ও দূর হবে।
যদি শুধু মধু খেতে না ইচ্ছে করে তাহলে, এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে পরিমাণমতো মধু মিশিয়ে নিন। সেটা খালি পেটে পান করলেও উপকার পাবেন।
অল্প আঁচে মধু গরম করে নিন। তারপর একটু ঠাণ্ডা করে তার মধ্যে লবঙ্গ পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। এতেও ঝটপট সমস্যা দূরে হবে।
রসুন
তবে শুধু মধুই নয়, রসুনও কিন্তু দারুণ কাজ করবে এমন সমস্যায়। ঘিয়ের মধ্যে দুই কোয়া রসুন দিয়ে ভালো করে গরম করে নিন। তারপর গরম গরম ভাতের সঙ্গে মেখে খেতে পারেন। এতেও কিন্তু উপকার পাবেন।
সকালে খালি পেটে যদি এক কোয়া করে রসুন খেতে পারেন, তাহলে সর্দি-কাশি থেকে উপকার পাবেন। যদি রসুনের উগ্র গন্ধের জন্য তা খেতে অসুবিধা হয়, তাহলে মধুর সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে আরো ভালো উপকার পাবেন।
আদা
আদা যে সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্যে করে, তা কিন্তু মোটামুটি সবারই জানা। কিন্তু কীভাবে খেলে ঝটপট উপকার হবে, তা কিন্তু অনেকেই জানেন না। অনেকে মনে করেন, চায়ের সঙ্গে আদা মিশিয়ে পান করলে উপকার পাওয়া যায়, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়ের পরিবর্তে কফির মধ্যে আদা মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাবেন। এক্ষেত্রে কিন্তু ব্ল্যাক কফিই বেশি কাজ দেবে।