Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / প্রশাসন / শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে যা বললেন গ্রেপ্তার সোহেল - Chief TV

শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে যা বললেন গ্রেপ্তার সোহেল - Chief TV

2026-05-20  ডেস্ক রিপোর্ট  76 views
শিশু রামিসা হত্যা: আদালতে যা বললেন গ্রেপ্তার সোহেল -  Chief TV

মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদনও করা হয়েছে। এর আগে সোহেলকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দু’টি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান। পরবর্তীতে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওই সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন তাকে উদ্দেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা।

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে করা ‎পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


Share: