শুক্রবার ভোরে খামেনি ও তার সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান হলে আনা হয়। সেখানে দুই দিনের জন্য সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় আলেম এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন।
ইরানের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজার মাজারে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহের ওপর একটি লাল পতাকা রাখা হয়েছে। শোক ও বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে এই প্রতীকী পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।