তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আমার পরিচিত আরও অনেক কৃষকের কাছ থেকে জানতে পারি যে তাদের কাছেও ২ হাজার করে টাকা ঘুষ নিয়েছেন খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা। তাই এমন অনিয়ম দুনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রতিকারের জন্য লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে মোট চার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ওষুধ, যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল, বেন্ডেজ, লিনেন ও ফার্নিচার ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃতপক্ষে প্রায় এক কোটি টাকার ওষুধ সরবরাহ করেই বাকি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।