Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / জাতীয় / ১‌ কো‌টি টাকার ওষুধ কি‌নে কিভাবে ৪‌ কো‌টির বিল করলেন সিভিল সার্জন - Chief TV

১‌ কো‌টি টাকার ওষুধ কি‌নে কিভাবে ৪‌ কো‌টির বিল করলেন সিভিল সার্জন - Chief TV

2026-07-02  ডেস্ক রিপোর্ট  30 views
১‌ কো‌টি টাকার ওষুধ কি‌নে কিভাবে ৪‌ কো‌টির বিল করলেন সিভিল সার্জন - Chief TV

বান্দরবানে এক কোটি টাকার ওষুধ কিনে চার কোটি টাকার বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং বান্দরবান সদর হাসপাতাল ঘুরে দেখেন। তবে পরিদর্শনের সময় সিভিল সার্জন সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানিয়েছে তদন্ত টিম।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানান, বান্দরবান সদর হাসপাতালের জন্য ওষুধ, কেমিক্যাল, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ে চার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না এবং প্রকৃতপক্ষে মালামাল যথাযথভাবে কেনা হয়েছে কি না—সবকিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত কাজে সিভিল সার্জনের অসহযোগিতা পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে মোট চার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ওষুধ, যন্ত্রপাতি, কেমিক্যাল, বেন্ডেজ, লিনেন ও ফার্নিচার ক্রয়ের দরপত্র আহ্বান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃতপক্ষে প্রায় এক কোটি টাকার ওষুধ সরবরাহ করেই বাকি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

এছাড়া দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির বিরুদ্ধে পছন্দের ঠিকাদারকে সুবিধা দিতে গোপন রেট কোড ফাঁস করার অভিযোগও উঠেছে। পরে নির্দিষ্ট কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায় বলে জানা গেছে।

তবে টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটির সদস্যরা দাবি করেছেন, সরবরাহ করা সব মালামাল যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলো রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


Share: