সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ইতিহাসে এত বিপুলসংখ্যক সামরিক সদস্য মোতায়েন করা হয়নি। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তারা সম্পূর্ণ সক্ষম।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর আর্মি ক্যাম্পে তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান জানান, নির্বাচনে মোতায়েন থাকবেন এক লাখেরও বেশি সেনা সদস্য, বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন, নৌবাহিনীর ৫ হাজার সদস্য। এছাড়াও পুলিশ, আনসার (প্রায় ৬ লাখ), র্যাব, বিজিবি এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সবাই সমন্বয়ে কাজ করবে।
তিনি বলেন, “জেলায় ভোট পরিচালনার দায়িত্ব ডিসি’এর, নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব পুলিশ সুপার-এর। আমরা তাঁদের সহায়তার জন্য মোতায়েন হয়েছি। রোবাস্ট পেট্রোলিং এবং স্ট্যাটিক ডিউটি নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী পাশে থাকবে। ভোটারদের কোনো আশঙ্কার কারণ নেই।”
সেনাপ্রধান আরও বলেন, ভোট পরিচালনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। এবার বডি ক্যামেরা, সুরক্ষা অ্যাপ এবং ড্রোন ব্যবহার করা হবে। তিনি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সঠিক তথ্য দেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্ভাব্য ভুয়া তথ্য নিয়ন্ত্রণে তিনি উল্লেখ করেন, বিকাশের লেনদেন নজরদারির আওতায় আনা হবে এবং সীমিত লিমিট নির্ধারণ করা হবে, যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করা থেকে রোধ করবে।
সেনাপ্রধান বলেন, “নির্বাচন কমিশন, সরকার, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান ও নৌবাহিনী—সবাই নির্বাচন সফল ও সুষ্ঠু করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভোটাররা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের ভোট দিতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ, আমরা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করব।”