বাগেরহাট-৪ আসন (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি নেতা কাজী খাইরুজ্জামান শিপন। নির্বাচন কমিশন থেকে হরিণ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
প্রতীক পাওয়ার পরপরই কাজী খাইরুজ্জামান শিপন মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার এবং পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করছেন এবং এলাকার উন্নয়ন চাহিদা ও জনআকাঙ্ক্ষার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন।
গণসংযোগকালে কাজী খাইরুজ্জামান শিপন বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষের একজন। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে আসছি। নির্বাচিত হলে বাগেরহাট-৪ আসনের রাস্তাঘাট উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অগ্রাধিকার দেব।”
তিনি আরও বলেন, গ্রাম থেকে বাজার পর্যন্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর সেবা সম্প্রসারণ তাঁর পরিকল্পনার অংশ।
এলাকাবাসী জানান, কাজী খাইরুজ্জামান শিপন একজন সৎ, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত। সুখে-দুঃখে তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। শুধু ভোটের সময় নয়, বছরের পর বছর এলাকায় থেকে মানুষের সমস্যা শুনেছেন এবং সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রেখেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, বাগেরহাট-৪ আসনের উন্নয়নের জন্য এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি এলাকার বাস্তব সমস্যা বোঝেন এবং উন্নয়ন বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তারা বিশ্বাস করেন, কাজী খাইরুজ্জামান শিপন নির্বাচিত হলে এলাকায় পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
এলাকাবাসী আরও বলেন, হরিণ প্রতীক এখন সাধারণ মানুষের আশা ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই প্রতীকে ভোট দিয়ে তারা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা করছেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট-৪ আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন বাড়ছে এবং ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।