চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে উপজেলা আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে জীবননগর পৌর এলাকার আশতলাপাড়ায় তার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মাহমুদুর রহমান ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঝিটকীপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগরে বসবাস করতেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। পরে মাহমুদুর রহমান নিজ কক্ষে অবস্থান করেন। কিছু সময় পর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
সহকর্মী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহমুদুর রহমান কর্মজীবনে অত্যন্ত সজ্জন, হাস্যোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল বলেও স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, সবদিক বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।