সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’-এ ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশনা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এখন থেকে পর্যটকদের বাধ্যতামূলকভাবে ‘ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর নৌকাঘাট’ ব্যবহার করে সাদাপাথরে যাতায়াত করতে হবে।
একই সঙ্গে কালাইরাগ হয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তঘেঁষা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সড়কপথ ব্যবহার করে সাদাপাথরে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সীমান্ত এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ এবং অবৈধ চলাচল বন্ধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারির পাশাপাশি গত বৃহস্পতিবার কালাইরাগ এলাকায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে এই নতুন সিদ্ধান্ত ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাদাপাথর নৌকাঘাটের ইজারাদাররা। সংবাদ সম্মেলনে ১৪৩৩ বাংলা সনের ইজারার শর্ত অনুযায়ী ঘাট সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক পর্যটক কালাইরাগ হয়ে সীমান্তঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহার করে সাদাপাথরে প্রবেশ করছিলেন।
এদিকে এই নতুন সিদ্ধান্ত ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাদাপাথর নৌকাঘাটের ইজারাদাররা। সংবাদ সম্মেলনে ১৪৩৩ বাংলা সনের ইজারার শর্ত অনুযায়ী ঘাট সুষ্ঠু, সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক পর্যটক কালাইরাগ হয়ে সীমান্তঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহার করে সাদাপাথরে প্রবেশ করছিলেন।
কিন্তু সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় অসাবধানতাবশত আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের ঝুঁকি, প্রাণহানি এবং মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধের শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
এসব ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে পর্যটকদের সুরক্ষায় কালাইরাগের ওই ঝুঁকিপূর্ণ পথটি ইতিমধ্যে বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাদাপাথর ঘাটের ইজারাদার মো. লিলু অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল এই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও ইজারাদাররা যৌথভাবে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, নির্ধারিত নৌপথ ব্যবহার করলে পর্যটকদের জানমালের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। তাই সাদাপাথরে ভ্রমণে আসা দেশের সব পর্যটককে সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত রুট মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।