রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মূল লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ বাতিল করেনি, বরং কেবল প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য ও আইনি নথি তুলে ধরেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, লাইসেন্স বাতিলের এই প্রক্রিয়াটি কি কর্তৃপক্ষের অবহেলা নাকি কোনো সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত, তা সাধারণ মানুষের বিবেচনার ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাসপাতালের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের মধ্যেই এই নতুন তথ্য সামনে এলো।
আইনজীবী শিশির মনির তার পোস্টে দুটি ভিন্ন লাইসেন্সের কপি সংযুক্ত করে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিচালনার জন্য যে মূল লাইসেন্স রয়েছে, সেটির নম্বর হচ্ছে এইচএসএম ৪৩১০০৫৮। অন্যদিকে, প্যাথলজি সেন্টার পরিচালনার জন্য পৃথক আরেকটি লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল, যার নম্বর এইচএসএম ৪৩১০০৫৯।
আইনজীবী শিশির মনির তার পোস্টে দুটি ভিন্ন লাইসেন্সের কপি সংযুক্ত করে বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিচালনার জন্য যে মূল লাইসেন্স রয়েছে, সেটির নম্বর হচ্ছে এইচএসএম ৪৩১০০৫৮। অন্যদিকে, প্যাথলজি সেন্টার পরিচালনার জন্য পৃথক আরেকটি লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল, যার নম্বর এইচএসএম ৪৩১০০৫৯।
গত ৪ জুন কর্তৃপক্ষ যে কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করেছিল, সেখানে শুধুমাত্র প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স নম্বরটি উল্লেখ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়ার পর সেই জবাব দাখিলও করা হয়।
ফলে আইনি নথির সূত্র ধরে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, হাসপাতালের মূল চিকিৎসা কার্যক্রমের লাইসেন্সটি এখনো বহাল রয়েছে।