বিশ্বকাপ ফুটবলে নিজের পছন্দের কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সম্প্রতি ‘মোজো পডকাস্ট’-এ অংশ নিয়ে তিনি প্রকাশ করেছেন যে, এবারের বিশ্বকাপে তিনি আর্জেন্টিনা দলকেই সমর্থন করছেন।
তবে এই সমর্থনের নেপথ্যে কেবল ফুটবলীয় কারণ নয়, বরং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সমীকরণও বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সঞ্চালক যখন লিওনেল মেসির কথা উল্লেখ করেন, তখন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসিডেন্ট মিলের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সঞ্চালক যখন লিওনেল মেসির কথা উল্লেখ করেন, তখন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসিডেন্ট মিলের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
তিনি মিলেকে ইসরায়েলের একজন ‘বড় বন্ধু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তাকে আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ বলে অভিহিত করেন। নেতানিয়াহু জানান, তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হয় এবং প্রেসিডেন্ট মিলের প্রতি তার বিশেষ সমীহ রয়েছে।
আর্জেন্টিনার দলের সক্ষমতা ও লিওনেল মেসির কথা অবশ্য এড়িয়ে যাননি নেতানিয়াহু। তিনি দলটিকে একটি ‘খুব ভালো দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মেসিকে ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। অতীতে মেসির ইসরায়েল সফরের সময়ের স্মৃতিচারণ করেও তিনি কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক, কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এমনকি দেশ দুটি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ নামক একটি চুক্তির ঘোষণাও দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য দুই দেশের রাজনৈতিক সখ্যতাকেই পুনরায় সামনে নিয়ে এলো।
আর্জেন্টিনার দলের সক্ষমতা ও লিওনেল মেসির কথা অবশ্য এড়িয়ে যাননি নেতানিয়াহু। তিনি দলটিকে একটি ‘খুব ভালো দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মেসিকে ‘বিশেষভাবে অভিজ্ঞ’ খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। অতীতে মেসির ইসরায়েল সফরের সময়ের স্মৃতিচারণ করেও তিনি কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনা ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক, কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। এমনকি দেশ দুটি ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ নামক একটি চুক্তির ঘোষণাও দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য দুই দেশের রাজনৈতিক সখ্যতাকেই পুনরায় সামনে নিয়ে এলো।