গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মাছ ধরার জাল চুরির প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে এক নারী ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম দুলাল এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াছ উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম দুলাল এলাকার বাসিন্দা মো. ইয়াছ উদ্দিন মণ্ডল অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল।
গত ৮ জুলাই আনুমানিক ৩টার দিকে মাছ ধরার জাল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠি, দা, কুড়াল, ছোরা ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, তার স্ত্রী মোছা. খুকি বেগম (৫০) প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছেলে সুজন মণ্ডল (১৮)-কেও মারধর করে আহত করা হয়। হামলায় তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এজাহারে মো. রাসেল মণ্ডল (আসাদ), মো. আশরাফুল মণ্ডল, মো. সিয়াম মণ্ডল, মোছা. আমেনা বেগম, মোছা. সেলিনা বেগম, মোছা. পাখি আক্তার এবং মো. এমদাদুল হক (দুলা)সহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, তার স্ত্রী মোছা. খুকি বেগম (৫০) প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছেলে সুজন মণ্ডল (১৮)-কেও মারধর করে আহত করা হয়। হামলায় তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।
স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এজাহারে মো. রাসেল মণ্ডল (আসাদ), মো. আশরাফুল মণ্ডল, মো. সিয়াম মণ্ডল, মোছা. আমেনা বেগম, মোছা. সেলিনা বেগম, মোছা. পাখি আক্তার এবং মো. এমদাদুল হক (দুলা)সহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।