ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতারা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
শুক্রবার ভোরে খামেনি ও তার সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান হলে আনা হয়। সেখানে দুই দিনের জন্য সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার ভোরে খামেনি ও তার সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রধান হলে আনা হয়। সেখানে দুই দিনের জন্য সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়া ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় আলেম এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া, কিউবাসহ শতাধিক দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জাতি-ধর্ম ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাই যেন জানাজায় অংশ নেন, যা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই জানাজায় প্রায় এক কোটি পঞ্চাশ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। দাফন অনুষ্ঠান শনিবার ও রোববারও চলবে। এরপর সোমবার তেহরানে জানাজার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া, কিউবাসহ শতাধিক দেশের সরকারি প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জাতি-ধর্ম ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাই যেন জানাজায় অংশ নেন, যা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই জানাজায় প্রায় এক কোটি পঞ্চাশ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। দাফন অনুষ্ঠান শনিবার ও রোববারও চলবে। এরপর সোমবার তেহরানে জানাজার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
পরে মরদেহ কোমে নেওয়া হবে এবং সেখান থেকে ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় কর্মসূচি সম্পন্ন করা হবে। সবশেষে আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।