বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া পথে প্রসববেদনায় কাতরাচ্ছিলেন মিজবাহুল জান্নাত (২২) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারী। চারদিকে বুকসমান পানি থাকায় হাসপাতালে যাওয়ার কোনো উপায় ছিল না।
তবে এই সংকটময় মুহূর্তে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেবদূতের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের সাহসী উদ্ধার তৎপরতায় একদিকে যেমন মা ও শিশুর প্রাণ বেঁচেছে, তেমনি জন্ম নিয়েছে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
ঘটনাটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আমিরাবাদ খৈয়ারকুল এলাকার। ওই গৃহবধূ প্রবাসী রিয়াজ উদ্দিনের স্ত্রী।
ঘটনাটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আমিরাবাদ খৈয়ারকুল এলাকার। ওই গৃহবধূ প্রবাসী রিয়াজ উদ্দিনের স্ত্রী।
বুধবার (৮ জুলাই) রাত ২টার দিকে প্রসববেদনা শুরু হলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় যন্ত্রণায় ছটফট করার পর বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে তারা লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের শরণাপন্ন হন।
খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বুকসমান ও হাঁটুসমান পানি ঠেলে প্রায় এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে উদ্ধারকারীরা স্ট্রেচারে করে ওই নারীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসেন।
খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস দল সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বুকসমান ও হাঁটুসমান পানি ঠেলে প্রায় এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে উদ্ধারকারীরা স্ট্রেচারে করে ওই নারীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসেন।
আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা অ্যাম্বুলেন্সে তাকে দ্রুত উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি এক সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে স্ট্রেচারে করে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে স্ট্রেচারে করে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসের এই তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।