চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফেসবুকে ব্রাজিল দলের পরাজয় নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন জুয়েল রানা (২৭) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার দারোগাবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল রানা উপজেলার উত্তর চাম্বল ইউনিয়নের সিকদার দোকান এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময় দারোগাবাজার এলাকায় একটি দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার এক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে জুয়েল লিখেছিলেন, দল করি হারবে, জিতবে কিন্তু নেইমারের জন্য হারটা মানতে পারছি না। তার এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই শোক প্রকাশ করেন।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নির্ভর করবে পরিবারের অভিযোগের ওপর।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার দারোগাবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল রানা উপজেলার উত্তর চাম্বল ইউনিয়নের সিকদার দোকান এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময় দারোগাবাজার এলাকায় একটি দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার এক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে জুয়েল লিখেছিলেন, দল করি হারবে, জিতবে কিন্তু নেইমারের জন্য হারটা মানতে পারছি না। তার এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই শোক প্রকাশ করেন।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নির্ভর করবে পরিবারের অভিযোগের ওপর।