বগুড়ার ধুনটে ধুনট দারুল উলুম কওমী মাদ্রার শিক্ষক ও উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল বাছেদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বলৎকারের অভিযোগ করেছে এক ছাত্র।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভুগী ছাত্র জানান, গত বছর সে ধুনট পৌর এলাকায় অবস্থিত ‘ধুনট দারুল উলুম কওমী মাদ্রসা'র ইয়াজদাহম জামাতে ভর্তি হয়। আবাসিক ছাত্র হিসাবে শিক্ষক ও উপজেলা মডেল মসজিদের ইমাম মওলানা আব্দুল বাসেতের কক্ষেই থাকতো সে। শিক্ষক আব্দুল বাসেত ওই ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাতে বিভিন্ন সময় অনৈতিক ও আপত্তিকর কাজে বাধ্য করতো। শুধূ ওই ছাত্রকেই নয় আরো একাধিক ছাত্রকেও বলৎকারের অভিযোগ রয়েছে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ছাত্ররা বিষয়টি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মওলানা শফিুকল ইসলামকে জানালে তিনি উপযুক্ত বিচারের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীদের নানা প্রকার ভয়ভীতিও দেখান।
বিচার বা সুরাহা না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভুগী ছাত্র ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিকার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। শিক্ষক আব্দুল বাসেত বিষয়টিকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে বলেন- শক্রতা মুলক ভাবে তার সম্মান হানী করার জন্য এই অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনাটি মিথ্যা ও সাজোনো উল্লেখ করে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম বলেন- ছাত্রদের সাথে যৌন হয়রানীর বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর আমি তদন্ত করেছি। কিন্তু, এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফ উল্লা নিজামী জানান, অভিযোগ পেয়ে ইতিমধ্যেই ইসলাসিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।