ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ব্যঙ্গাত্মক যুব সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়েছে। নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস এবং সিবিএসই পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে দুর্নীতির অভিযোগে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু ও ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সীমান্ত প্রবেশপথসহ বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় এক হাজারেরও বেশি অতিরিক্ত পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবনের সামনেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়।
এদিকে বিক্ষোভ শুরুর ঠিক আগে সিজেপির পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আচরণ বজায় রাখা, কোনো ধরনের সংঘাত বা উসকানিতে পা না দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে প্রতিটি আন্দোলনকারীকে হাতে জাতীয় পতাকা (তেরঙা) এবং একটি করে বই রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে পৌঁছানো ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে বিমানে থাকা অবস্থায় নিজের মানসিক অবস্থার কথা জানিয়ে বলেন, "বিমান থেকে নামার ঠিক আগের মুহূর্তগুলো ছিল আমার স্বাধীনতার শেষ মুহূর্ত। দেশের কোটি শিক্ষার্থীর সুন্দর ভবিষ্যতের স্বার্থে আমি আমার এই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা উৎসর্গ করতেও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম।" কারাবাসের ভয়ে অনেকে আপস করলেও দেশের ছাত্র-যুবসমাজ নিজেদের বিকিয়ে দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
শনিবারের এই বিক্ষোভে শত শত তরুণ, কলেজ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকসহ বহু স্কুলপড়ুয়া শিশু অংশ নেয়। আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে অনেক আন্দোলনকারীকে তেলাপোকার (ককরোচ) মুখোশ পরা এবং হাতে ফুল নিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এদিকে বিক্ষোভ শুরুর ঠিক আগে সিজেপির পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আচরণ বজায় রাখা, কোনো ধরনের সংঘাত বা উসকানিতে পা না দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে প্রতিটি আন্দোলনকারীকে হাতে জাতীয় পতাকা (তেরঙা) এবং একটি করে বই রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে পৌঁছানো ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে বিমানে থাকা অবস্থায় নিজের মানসিক অবস্থার কথা জানিয়ে বলেন, "বিমান থেকে নামার ঠিক আগের মুহূর্তগুলো ছিল আমার স্বাধীনতার শেষ মুহূর্ত। দেশের কোটি শিক্ষার্থীর সুন্দর ভবিষ্যতের স্বার্থে আমি আমার এই ব্যক্তিগত স্বাধীনতা উৎসর্গ করতেও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম।" কারাবাসের ভয়ে অনেকে আপস করলেও দেশের ছাত্র-যুবসমাজ নিজেদের বিকিয়ে দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
শনিবারের এই বিক্ষোভে শত শত তরুণ, কলেজ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকসহ বহু স্কুলপড়ুয়া শিশু অংশ নেয়। আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে অনেক আন্দোলনকারীকে তেলাপোকার (ককরোচ) মুখোশ পরা এবং হাতে ফুল নিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
যুবসমাজের এই যৌক্তিক আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রখ্যাত পরিবেশ ও সামাজিক আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে-কে যদি পুলিশ গ্রেপ্তার করে, তবে তিনি নিজে ছয় সপ্তাহের অনশন কর্মসূচিতে বসবেন। ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন হিসেবে শুরু হওয়া এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবার রাজপথের তীব্র গণআন্দোলনে রূপ নেওয়ায় পুরো ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।