জয়পুরহাট ১ আসনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের কাজ উপহার দিলেন মাসুদ রানা প্রধান
জয়পুরহাট জেলা সদর ও পাঁচবিবি উপজেলার গ্রামীণ রাস্তাঘাট এবং সামগ্রিক অবকাঠামোগত চেহারা বদলে দিতে অনুমোদন পেয়েছে ১ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল উন্নয়ন প্রকল্প।
গত সংসদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে এই মেগা প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে জয়পুরহাট বাসীকে দেওয়া কথা রাখলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও জয়পুরহাট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান।
প্রকল্পটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা থেকে আগত একটি বিশেষ তদন্ত টিমের সাথে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে অনুমোদিত প্রকল্পের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সরকারি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ( পিডি ) মোঃ শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট এলজিইডির সহকারী সিনিয়র প্রকৌশলী মোঃ সুলতান মাহমুদ, এলজিইডির সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,এলজিইডির পাঁচবিবি উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোবারক হোসেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লিটন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী আনিসুর রহমান লিটন।
জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট ও পাঁচবিবিতে এই বিশাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
তিনি আরও বলেন,গত সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনের জনগণকে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করার যে প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু হলো। জয়পুরহাটবাসীকে এই উপহার দিয়ে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেননি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। আমি জয়পুরহাটের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ১ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জয়পুরহাটের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটবে, যা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করবে।
গত সংসদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের অংশ হিসেবে এই মেগা প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে জয়পুরহাট বাসীকে দেওয়া কথা রাখলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও জয়পুরহাট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান।
প্রকল্পটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা থেকে আগত একটি বিশেষ তদন্ত টিমের সাথে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে অনুমোদিত প্রকল্পের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সরকারি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ( পিডি ) মোঃ শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট এলজিইডির সহকারী সিনিয়র প্রকৌশলী মোঃ সুলতান মাহমুদ, এলজিইডির সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,এলজিইডির পাঁচবিবি উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোবারক হোসেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লিটন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী আনিসুর রহমান লিটন।
জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জয়পুরহাট ও পাঁচবিবিতে এই বিশাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
তিনি আরও বলেন,গত সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ (সদর-পাঁচবিবি) আসনের জনগণকে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করার যে প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছিলাম, এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু হলো। জয়পুরহাটবাসীকে এই উপহার দিয়ে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেননি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। আমি জয়পুরহাটের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ১ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জয়পুরহাটের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটবে, যা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করবে।