চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফিরেই ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন ব্রাজিল তারকা নেইমার জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে তিনি স্পর্শ করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের দুই কিংবদন্তি পেলে ও রিভালদোর একটি অনন্য রেকর্ড।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর জাতীয় দলের জার্সিতে এটিই ছিল তার প্রথম ম্যাচ। তবে প্রত্যাবর্তনের এই ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছে আরেকটি কারণে।
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি পরে এটি ছিল নেইমারের ১৪তম ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে তিনি পেলে ও রিভালদোর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি পরা ফুটবলারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
পেলে চারটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে ১৪ ম্যাচে এবং রিভালদো দুটি বিশ্বকাপ আসরে ১৪ ম্যাচে ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলেছিলেন। এবার সেই অভিজাত তালিকায় নিজের নাম লেখালেন নেইমারও।
২০১৪ বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ, ২০১৮ বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ এবং ২০২২ বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমে বিশ্বকাপে ১০ নম্বর জার্সিতে নিজের ম্যাচসংখ্যা ১৪-তে নিয়ে যান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
ডান পায়ের কাফ ইনজুরি কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফিরেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা। তার অনুপস্থিতিতে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচে ১০ নম্বর জার্সিটি খালি রাখা হয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেই আবারও ফিরে আসে ব্রাজিলের সেই ঐতিহ্যবাহী নম্বরটি।
এদিকে আরেকটি বড় মাইলফলকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন নেইমার। ব্রাজিলের সিনিয়র দলে ১০ নম্বর জার্সি পরে এখন পর্যন্ত ৯৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এই তালিকায় তার ওপরে রয়েছেন কেবল পেলে, যিনি ১০৫ ম্যাচে ব্রাজিলের বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন।
নকআউট পর্বে মাঠে নামলে ১০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করবেন নেইমার। আর মাত্র দুটি ম্যাচ খেললেই তিনি হয়ে উঠবেন ব্রাজিলের ইতিহাসে ১০ নম্বর জার্সি পরে শত ম্যাচ খেলা দ্বিতীয় ফুটবলার।