ফেনীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, জেলার ভেতরে দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মিছিল সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে।
একদিকে ২০২৪ সালের নির্বাচনে একতরফা ভোটের এমপি আলাউদ্দিন নাসিম এবং অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর অনুসারীরা সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অর্থের বিনিময়ে আনা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ অংশগ্রহণকারীদের ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে, আর নেতৃত্বদানকারীদের জন্য ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি মাসিক বেতনের অর্ধেক অর্থের বিনিময়ে ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে, মিছিলে অংশ নিতে শিশুদেরও টার্গেট করা হচ্ছে, যাতে গ্রেপ্তার হলেও দ্রুত ছাড়িয়ে আনা সম্ভব হয়। গত ১৭ জুন ফেনী শহরের স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ফেনী মডেল থানার পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে মিছিলে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, মিছিলের জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক জড়ো করা হচ্ছে এবং ভোরবেলা দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্মসূচি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করেও এমন কর্মসূচির পরিকল্পনা ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে পুলিশের দাবি, যেকোনো ধরনের অবৈধ মিছিল ও রাজনৈতিক তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। ফেনী মডেল থানার ওসি জানান, অভিযান চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। ফেনীর নবাগত পুলিশ সুপারও জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের অর্থের বিনিময়ে আনা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ অংশগ্রহণকারীদের ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে, আর নেতৃত্বদানকারীদের জন্য ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি মাসিক বেতনের অর্ধেক অর্থের বিনিময়ে ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে, মিছিলে অংশ নিতে শিশুদেরও টার্গেট করা হচ্ছে, যাতে গ্রেপ্তার হলেও দ্রুত ছাড়িয়ে আনা সম্ভব হয়। গত ১৭ জুন ফেনী শহরের স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিলের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
ফেনী মডেল থানার পুলিশ সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে মিছিলে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, মিছিলের জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক জড়ো করা হচ্ছে এবং ভোরবেলা দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্মসূচি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করেও এমন কর্মসূচির পরিকল্পনা ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে পুলিশের দাবি, যেকোনো ধরনের অবৈধ মিছিল ও রাজনৈতিক তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। ফেনী মডেল থানার ওসি জানান, অভিযান চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। ফেনীর নবাগত পুলিশ সুপারও জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে।