মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস মার্কিন কংগ্রেসের একটি কমিটিকে জানিয়েছেন, বিতর্কিত অর্থদাতা জেফরি এপস্টাইন তার ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য ব্যবহার করে তাকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির এক রুদ্ধদ্বার শুনানিতে দেওয়া বক্তব্যে গেটস তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং এপস্টাইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।
গেটস শুনানিতে তিন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন এবং জানান, এর মধ্যে দুটি সম্পর্ক সম্পর্কে এপস্টাইন জানতেন। তিনি বলেন, এসব সম্পর্কের সঙ্গে এপস্টাইনের কোনো সংযোগ ছিল না, তবে বিষয়গুলো তার পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক ছিল। গেটসের মতে, এপস্টাইন তার ব্যক্তিগত তথ্য ও কিছু মিথ্যা তথ্য একত্র করে তাকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, যাতে তিনি আবার তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন।
তিনি আরও জানান, এপস্টাইন তাকে সরাসরি কখনো ব্ল্যাকমেল বা হুমকি দেননি, তবে বিভিন্ন ইমেইল ও নথি দেখে তার ধারণা হয় যে এমন চেষ্টা করা হতে পারে। ২০১৩ সালের একটি খসড়া ইমেইলের দিকে ইঙ্গিত করে গেটস বলেন, সেখানে তার ব্যক্তিগত জীবন এবং এক সাবেক সহকর্মীর নাম উল্লেখ ছিল, যা তিনি চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেছেন।
বিল গেটস আইনপ্রণেতাদের জানান, এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক সীমিত ছিল এবং মূলত দাতব্য কাজ ও সম্ভাব্য দাতাদের সঙ্গে পরিচয়ের প্রসঙ্গেই তারা দেখা করতেন। চার বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১২ থেকে ১৪ বার এপস্টাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দু’বার ভিডিও কলে কথা বলেন বলেও জানান তিনি।
এপস্টাইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে সমালোচনার জবাবে গেটস বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি জানার পরও তিনি সীমিত পরিসরে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা এখন তিনি ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন। তিনি আরও অস্বীকার করেন যে তার কখনো কোনো যৌনবাহিত রোগ ছিল বা তিনি গোপনে কাউকে ওষুধ দিয়েছেন—এ ধরনের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।
এই ঘটনার পর বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এপস্টাইনের সঙ্গে অতীতের যেকোনো যোগাযোগ নিয়ে তারা স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করবে। নতুন নথি প্রকাশের পর এ বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে বলে জানা গেছে।
গেটস শুনানিতে তিন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন এবং জানান, এর মধ্যে দুটি সম্পর্ক সম্পর্কে এপস্টাইন জানতেন। তিনি বলেন, এসব সম্পর্কের সঙ্গে এপস্টাইনের কোনো সংযোগ ছিল না, তবে বিষয়গুলো তার পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক ছিল। গেটসের মতে, এপস্টাইন তার ব্যক্তিগত তথ্য ও কিছু মিথ্যা তথ্য একত্র করে তাকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, যাতে তিনি আবার তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন।
তিনি আরও জানান, এপস্টাইন তাকে সরাসরি কখনো ব্ল্যাকমেল বা হুমকি দেননি, তবে বিভিন্ন ইমেইল ও নথি দেখে তার ধারণা হয় যে এমন চেষ্টা করা হতে পারে। ২০১৩ সালের একটি খসড়া ইমেইলের দিকে ইঙ্গিত করে গেটস বলেন, সেখানে তার ব্যক্তিগত জীবন এবং এক সাবেক সহকর্মীর নাম উল্লেখ ছিল, যা তিনি চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেছেন।
বিল গেটস আইনপ্রণেতাদের জানান, এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক সীমিত ছিল এবং মূলত দাতব্য কাজ ও সম্ভাব্য দাতাদের সঙ্গে পরিচয়ের প্রসঙ্গেই তারা দেখা করতেন। চার বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১২ থেকে ১৪ বার এপস্টাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দু’বার ভিডিও কলে কথা বলেন বলেও জানান তিনি।
এপস্টাইনের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে সমালোচনার জবাবে গেটস বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি জানার পরও তিনি সীমিত পরিসরে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা এখন তিনি ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন। তিনি আরও অস্বীকার করেন যে তার কখনো কোনো যৌনবাহিত রোগ ছিল বা তিনি গোপনে কাউকে ওষুধ দিয়েছেন—এ ধরনের অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।
এই ঘটনার পর বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এপস্টাইনের সঙ্গে অতীতের যেকোনো যোগাযোগ নিয়ে তারা স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করবে। নতুন নথি প্রকাশের পর এ বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে বলে জানা গেছে।