Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / জাতীয় / কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার-ছয় লেনে উন্নীতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর - Chief TV

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার-ছয় লেনে উন্নীতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর - Chief TV

2026-06-14  ডেস্ক রিপোর্ট  35 views
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার-ছয় লেনে উন্নীতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর - Chief TV
'করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ'— এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে দেশের ২০ কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমুখী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
 
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতার মোহের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবার জন্য।
 
দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তিনি কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার থেকে ছয় লেনে উন্নীত করার মেগা ঘোষণা দেন। এ সময় বিগত ১৭ বছরে এই মহাসড়কের কোনো উন্নয়ন না করার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার অতীতে যেভাবে এই রাস্তা রেখে গিয়েছিল, এত বছর ধরে সড়কের উন্নয়ন ঠিক সেভাবেই থমকে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের বাংলাদেশের প্রাণ আখ্যায়িত করে বলেন, সদ্যঘোষিত জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং দেশের প্রতিটি জেলায় ৮ থেকে ১০ হাজার কৃষককে বিশেষ কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সরাসরি আড়াই হাজার টাকা করে নগদ প্রণোদনা পাবেন।
 
উপকূলীয় অঞ্চলের লবণ চাষীদের অর্থনৈতিক সুরক্ষায় একটি নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার নানা কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।
 
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে মাটি কেটে কক্সবাজারের পিএমখালী এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
 
তিনি উল্লেখ করেন, এই খাল পুনঃখননের ফলে এলাকার সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন এবং বছরে প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নারী শিক্ষা ও গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী।
 
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথ ধরে এবার স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উপবৃত্তি কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
 
গ্রামীণ মানুষকে স্বাবলম্বী করতে 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে হার্টের রিং এবং কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ ও ওষুধের ওপর থেকে সমস্ত কর প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন তিনি।

নতুন বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের নেতিবাচক সমালোচনার কড়া জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি, উল্টো সাধারণ মানুষের স্বস্তির কথা চিন্তা করে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
 
সরকার কেবল স্বাস্থ্যহানিকর মদ ও সিগারেটের ওপর কর বাড়িয়েছে, অথচ বিরোধী দল সেটি নিয়েও সমালোচনা করছে, যার মূল উদ্দেশ্য জনগণ ভালোভাবেই বোঝে। তিনি দৃঢ়তার সাথে মনে করিয়ে দেন, কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং এই দেশের আসল মালিক দেশের ২০ কোটি জনগণ এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতেই বর্তমান সরকার সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

Share: