লালমনিরহাট সীমান্তের পৃথক তিনটি পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর তৎপরতায় ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি। শুক্রবার ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এই পুশইনের চেষ্টার ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সীমান্তবাসী সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জন, পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় আরও ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ।
অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তে শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়। স্থানীয় গ্রামবাসীর সক্রিয় সহায়তায় বিজিবির জওয়ানরা সীমান্তে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় বিএসএফের এই পুশইনের চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। বর্তমানে পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা জিরো পয়েন্ট পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।
অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তে শক্তিশালী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়। স্থানীয় গ্রামবাসীর সক্রিয় সহায়তায় বিজিবির জওয়ানরা সীমান্তে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় বিএসএফের এই পুশইনের চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। বর্তমানে পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা জিরো পয়েন্ট পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিজিবি লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।