লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একটি স্কুল হোস্টেলে শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর নিহত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের বাবা জিয়া উদ্দিন জিয়া বাদী হয়ে অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শিক্ষকদের অবহেলা এবং জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অমানবিক নির্যাতনের কারণেই তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রামগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলায় ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান এবং দ্বাদশ শ্রেণির সাত শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মেহেদী হাসান ২০২৪ সালে একাডেমির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরে হোস্টেলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের হাতে কনিষ্ঠদের নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হতো।
বৃহস্পতিবার রাতে রামগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলায় ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া একাডেমির অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান এবং দ্বাদশ শ্রেণির সাত শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মেহেদী হাসান ২০২৪ সালে একাডেমির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হন। দীর্ঘদিন ধরে হোস্টেলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের হাতে কনিষ্ঠদের নানা ধরনের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হতো।
এক পর্যায়ে একটি আইফোন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কয়েকজন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদীসহ কয়েকজন কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে একাধিকবার শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে।
অভিযোগে বলা হয়, নির্যাতনের বিষয়টি মেহেদী ও অন্য শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। পরে গত সোমবার রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর মেহেদীর মৃত্যু ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর কে বা কারা মেহেদীর মরদেহ চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, নিহত শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের করা মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, নির্যাতনের বিষয়টি মেহেদী ও অন্য শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। পরে গত সোমবার রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর মেহেদীর মৃত্যু ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর কে বা কারা মেহেদীর মরদেহ চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, নিহত শিক্ষার্থীর বাবার দায়ের করা মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।