দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমদের বিরুদ্ধে ১১ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতে আরও চারজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে হাজির হয়ে তারা এই সাক্ষ্য দেন। মামলার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করে।
এবারের শুনানিতে সাক্ষ্য দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন— নরসিংদীর কর কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী সোহেল মিয়া, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের সাব-রেজিস্ট্রার রিয়াজুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আসেফ আয়নান বখস এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক সিরাজুল হক।
এই মামলার আইনি অগ্রগতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম গণমাধ্যমকে জানান, বহুল আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এই মামলার আইনি অগ্রগতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম গণমাধ্যমকে জানান, বহুল আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া সুচারুভাবে বজায় রাখতে এবং বাকি সাক্ষীদের জবানবন্দি নেওয়ার জন্য আদালত আগামী ১ জুলাই পরবর্তী দিন ধার্য করেছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে ধারাবাহিকভাবে অন্য সাক্ষীদেরও আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, বেনজীর আহমদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
উল্লেখ্য, বেনজীর আহমদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
এরপর দীর্ঘ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্জিত সম্পদের তথ্য গোপন এবং অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) স্পষ্ট প্রমাণ ও অভিযোগ এনে আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম। সেই মামলারই ধারাবাহিক বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।