গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে আজ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হবে, তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তার নাম ও পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। এর আগে গত ৩ জুন এই সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার কথা থাকলেও প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন।
চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে এ পর্যন্ত ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানসহ চারজন ভুক্তভোগী ও সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।
এই মামলার ১৭ জন আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে বন্দি রয়েছেন।
এই মামলার ১৭ জন আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে বন্দি রয়েছেন।
তারা হলেন— র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র্যাবের।
গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাকি ৭ জন এখনো পলাতক রয়েছেন।
অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাকি ৭ জন এখনো পলাতক রয়েছেন।
পলাতক অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন ।
র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম। দেশজুড়ে আলোচিত এই গুম ও নির্যাতন মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দিকে এখন গভীর নজর রাখছেন দেশের সাধারণ মানুষ ও মানবাধিকার কর্মীরা।