বাংলাদেশের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ব্যতিক্রমী প্রস্তাব দিয়েছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক জামিল হোসেন।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষকদের বেতন কাঠামোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।
তার প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের 'এ' গ্রেড বেতন স্কেল দেওয়া যেতে পারে।
মাঝারি মানের ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের জন্য 'বি' গ্রেড এবং তুলনামূলক কম ফলাফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের জন্য 'সি' গ্রেড বেতন স্কেল নির্ধারণের কথা তিনি উল্লেখ করেন।
জামিল হোসেনের ভাষ্য, এমন একটি মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষকদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে, পাঠদানের মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে সবাই আরও আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কেউ এই প্রস্তাবকে শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন শিক্ষকদের মূল্যায়নে শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয়, অবকাঠামো, শিক্ষার্থীদের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা, শিক্ষকের প্রশিক্ষণসহ আরও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, এটি সহকারী শিক্ষক জামিল হোসেনের ব্যক্তিগত মতামত ও প্রস্তাবে বলেন শিক্ষার মান উন্নয়নে বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
জামিল হোসেনের ভাষ্য, এমন একটি মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষকদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে, পাঠদানের মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জনে সবাই আরও আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কেউ এই প্রস্তাবকে শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন শিক্ষকদের মূল্যায়নে শুধু পরীক্ষার ফলাফল নয়, অবকাঠামো, শিক্ষার্থীদের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা, শিক্ষকের প্রশিক্ষণসহ আরও বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, এটি সহকারী শিক্ষক জামিল হোসেনের ব্যক্তিগত মতামত ও প্রস্তাবে বলেন শিক্ষার মান উন্নয়নে বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।