কখনও চর্যাপদের আদি সুর, কখনও আঞ্চলিক কবিতার ভাঁজে ভাঁজে জীবনের ঘ্রাণ—আবার কখনও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’-এর প্রতীকী জগতে শিশুমনের মুক্তির আকুতি। সব মিলিয়ে শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তন যেন পরিণত হয়েছিল শব্দ, অনুভূতি আর কাব্যের এক অনন্য মিলনমেলায়।
বাগেরহাট থিয়েটার ও আবৃত্তি সংগঠন ‘শব্দকল্পদ্রুম’-এর যৌথ আয়োজনে শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় এই মুগ্ধতা ছড়ানো আবৃত্তি ও শ্রুতি নাট্য পরিবেশনা। বাংলা সাহিত্য ও নাট্যরূপকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জীবন্তভাবে উপস্থাপন করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দর্শকদের উপস্থিতি ও করতালি ছিল মুখর।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শব্দকল্পদ্রুমের শিল্পীদের বৃন্দ পরিবেশনা ‘চর্যাপদ’ ও ‘বাংলার মুখ’–এ বাংলা ভাষার আদি রূপের সঙ্গে আধুনিক কবিতার সংলাপ মিশে এক অনন্য সেতুবন্ধ তৈরি হয়। এর পরপরই ‘পিরীতের পূর্ণিমার চাঁন’ শীর্ষক একক আবৃত্তিতে আঞ্চলিক কবিতার নিখাদ আবেগ-অনুভূতি দর্শকদের টেনে নেয় গ্রামীণ জীবন ও শাশ্বত প্রেমের গভীরে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শব্দকল্পদ্রুমের শিল্পীদের বৃন্দ পরিবেশনা ‘চর্যাপদ’ ও ‘বাংলার মুখ’–এ বাংলা ভাষার আদি রূপের সঙ্গে আধুনিক কবিতার সংলাপ মিশে এক অনন্য সেতুবন্ধ তৈরি হয়। এর পরপরই ‘পিরীতের পূর্ণিমার চাঁন’ শীর্ষক একক আবৃত্তিতে আঞ্চলিক কবিতার নিখাদ আবেগ-অনুভূতি দর্শকদের টেনে নেয় গ্রামীণ জীবন ও শাশ্বত প্রেমের গভীরে।
‘বাংলার মুখ’ শীর্ষক আবৃত্তি প্রযোজনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশসহ বাংলা সাহিত্যের প্রধান প্রধান কবিদের কবিতাগুলো কণ্ঠ, ছন্দ ও উপস্থাপনার নিখুঁত সমন্বয়ে মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে, যা পুরো মিলনায়তনকে এক মায়াবী নীরবতায় ডুবিয়ে রাখে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক ‘ডাকঘর’-এর নির্বাচিত অংশের শ্রুতি নাট্যরূপ পরিবেশন করে বাগেরহাট থিয়েটার। অসুস্থ শিশু অমলের কল্পনার ডাকঘরের প্রতীক্ষা, অন্তহীন মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং আত্মিক জগতের বিস্তার দর্শকদের আবেগ মথিত করে। নাটকের প্রতিটি সংলাপে তৈরি হয় গভীর পিনপতন নীরবতা, আর শেষ দৃশ্যের পর দীর্ঘ করতালি জানান দেয় এই পরিবেশনার সার্থকতা।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক ‘ডাকঘর’-এর নির্বাচিত অংশের শ্রুতি নাট্যরূপ পরিবেশন করে বাগেরহাট থিয়েটার। অসুস্থ শিশু অমলের কল্পনার ডাকঘরের প্রতীক্ষা, অন্তহীন মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং আত্মিক জগতের বিস্তার দর্শকদের আবেগ মথিত করে। নাটকের প্রতিটি সংলাপে তৈরি হয় গভীর পিনপতন নীরবতা, আর শেষ দৃশ্যের পর দীর্ঘ করতালি জানান দেয় এই পরিবেশনার সার্থকতা।
অমল চরিত্রসহ অন্যান্য চরিত্রে অভিনয়শিল্পীদের কণ্ঠের জাদু দর্শকপ্রিয়তা পায় বিশেষভাবে। নাজমুল আহসানের চমৎকার নির্দেশনায় সংগীত, আবহ ও মঞ্চ ব্যবস্থাপনার আলো-ছায়ার সমন্বয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি এক পরিপূর্ণ শিল্পের রূপ নেয়।
আবৃত্তি পর্বে দর্শকদের মুগ্ধ করেন লায়লা আক্তার, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, প্রত্যাশা বিনতে শাহিন, পলি হাওলাদার, লুনা আফরোজা, শেখ হালিমা ফারহানা মিতু, হীরা আক্তার, রুমানা হক রিতা, শর্বরী দে রাত্রি, তুষার কান্তি রায়, জলি খাতুন, মিমহা বিনতে মুনীর, রনিতা সরকার ও ইসমাইল হোসেন নয়ন।
আবৃত্তি পর্বে দর্শকদের মুগ্ধ করেন লায়লা আক্তার, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, প্রত্যাশা বিনতে শাহিন, পলি হাওলাদার, লুনা আফরোজা, শেখ হালিমা ফারহানা মিতু, হীরা আক্তার, রুমানা হক রিতা, শর্বরী দে রাত্রি, তুষার কান্তি রায়, জলি খাতুন, মিমহা বিনতে মুনীর, রনিতা সরকার ও ইসমাইল হোসেন নয়ন।
অন্যদিকে, শ্রুতি নাটক ‘ডাকঘর’-এ কণ্ঠ দিয়েছেন নুওয়াইরাহ রশিদ ঋদ্ধি, মেহরিমা নওমী, তাবেদার-ই-রসুল চান্নু, নাজমুল আহসান, আক্তারুজ্জামান ঝুলন, এইচ. এম. আল মামুন ও অপু আহমেদ এবং তকদীর আবিদ পনি।