নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় এক গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় যুবদলের এক নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সিরাব এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ ও তাঁর সহযোগী শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগী ওই নারী তাঁর স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে সিরাব এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন বিকেলে ভুক্তভোগী নারী যখন নিজের রান্নাঘরে কাজ করছিলেন, ঠিক সেই সময় অভিযুক্তরা আকস্মিকভাবে ঘরে ঢুকে তাঁর মুখ চেপে ধরে। এ সময় সন্তানদের বড় ধরনের ক্ষতি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ওই নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন বিকেলে ভুক্তভোগী নারী যখন নিজের রান্নাঘরে কাজ করছিলেন, ঠিক সেই সময় অভিযুক্তরা আকস্মিকভাবে ঘরে ঢুকে তাঁর মুখ চেপে ধরে। এ সময় সন্তানদের বড় ধরনের ক্ষতি ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ওই নারীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পাশের একটি চারতলা ভবনের নিচতলার একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়।
সেখানে ভুক্তভোগী নারীর হাত ও মুখ বেঁধে জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা স্থান ত্যাগ করলে নির্যাতিতা নারী কোনোমতে নিজের বাসায় ফিরে আসেন এবং সন্ধ্যায় তাঁর স্বামী কর্মস্থল থেকে ফিরলে পুরো ঘটনাটি খুলে বলেন।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে দ্রুত তদন্তে নামে এবং সফল অভিযান পরিচালনা করে মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে দ্রুত তদন্তে নামে এবং সফল অভিযান পরিচালনা করে মূল দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সারোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তৎপরতার সাথে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই মামলার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।