সৌদি আরবের মদিনা প্রদেশে পরিচালিত একটি ব্যাপক প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামাঙ্কিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক শিলালিপির সন্ধান পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের ঐতিহ্য বিষয়ক কমিশন (Heritage Commission) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মদিনা অঞ্চলের ইতিহাস ও ইসলামি ঐতিহ্যের ওপর নতুন আলো ফেলতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। খলিফা উমর (রা.) ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ঐতিহাসিক ইসলামি সাম্রাজ্য অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শাসন করেছিলেন, যা ইসলামি ইতিহাসের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত।
ঐতিহ্য কমিশন জানিয়েছে, তাদের পরিচালিত বিশেষ জরিপের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এখন পর্যন্ত মোট এক হাজার ৭৭৪টি মূল্যবান প্রত্নসম্পদ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। এই বিশাল ও ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যেই খলিফা উমর (রা.)-এর নাম খোদাই করা অনন্য শিলালিপিটি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ঐতিহ্য কমিশন জানিয়েছে, তাদের পরিচালিত বিশেষ জরিপের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এখন পর্যন্ত মোট এক হাজার ৭৭৪টি মূল্যবান প্রত্নসম্পদ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। এই বিশাল ও ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যেই খলিফা উমর (রা.)-এর নাম খোদাই করা অনন্য শিলালিপিটি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ঐতিহ্য কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ জরিপ দলগুলো এই অঞ্চলে এর আগে সম্পূর্ণ অজানা থাকা অন্তত ১৭৩টি নতুন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের উপস্থিতি নিখুঁতভাবে নথিভুক্ত বা রেকর্ড করতে সক্ষম হয়েছে।
আবিষ্কৃত এই বিশাল প্রত্নসম্পদের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামাঙ্কিত ১৭৩টি সুনির্দিষ্ট শিলালিপি এবং মরুভূমির পাহাড় ও পাথরে খোদাই করে লেখা দুর্লভ প্রাচীন আরবি কবিতা।
আবিষ্কৃত এই বিশাল প্রত্নসম্পদের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামাঙ্কিত ১৭৩টি সুনির্দিষ্ট শিলালিপি এবং মরুভূমির পাহাড় ও পাথরে খোদাই করে লেখা দুর্লভ প্রাচীন আরবি কবিতা।
কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত পরিসংখ্যান অনুসারে, আবিষ্কৃত সামগ্রিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে এক হাজার ২৫৯টি সাধারণ প্রাচীন শিলালিপি, ৪৬১টি সমৃদ্ধ ইসলামি যুগের শিলালিপি, প্রাচীন সামুদ উপজাতির ভাষায় লেখা ৩৪টি শিলালিপি, ১১টি পাথরের তৈরি ঐতিহাসিক কাঠামো, তিনটি প্রাচীন রাজকীয় প্রাসাদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা, মরুভূমির কাফেলা বা বাণিজ্য পথের দিক নির্দেশক দুটি প্রাচীন মাইলফলক এবং চারটি ঐতিহাসিক পানির কূপ।
মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্বের ইসলামি ইতিহাসের প্রাচীন উৎস সন্ধানে এই আবিষ্কার এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করল।