Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / রাজশাহী বিভাগ / সারাদেশ / সিরাজগঞ্জ / তাড়াশ তেলের বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত - Chief TV

তাড়াশ তেলের বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত - Chief TV

2026-06-06  আরিফুল ইসলাম, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  28 views
তাড়াশ তেলের বরাদ্দ না থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত - Chief TV
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তেলের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চালু করা যাচ্ছে না উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটর। ফলে লোডশেডিংয়ের সময় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম। টর্চ লাইট ও মোমবাতির আলোয় চলছে জরুরি চিকিৎসাসেবা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী ও স্বজনরা, হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরাও।

জানা গেছে, রোগীদের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪ সালে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। রোগীদের অপারেশনসহ জরুরি চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে হাসপাতালটিতে একটি জেনারেটর বরাদ্দ দেওয়া হয়।

তবে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেলের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় জেনারেটরটি পড়ে আছে অকেজো অবস্থায়। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে অন্ধকার নেমে আসে। ব্যাহত হয় জরুরি চিকিৎসাসেবা, এমনকি অনেক সময় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমও বন্ধ রাখতে হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্বর্ণা রানী বলেন, “বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতাল ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়। বিশেষ করে রাতে রোগী ও স্বজনদের অনেক ভয় লাগে। টিউবওয়েল থেকে পানি আনতেও সমস্যা হয়।

শেফালী খাতুন বলেন, “তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের অনেক কষ্ট হয়। গরমে তারা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

রোগী সাইফুল ইসলাম বলেন, “কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল ভবন তৈরি করা হয়েছে, জেনারেটর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জেনারেটর যদি চালুই না করা যায়, তাহলে এসবের সুফল মানুষ কীভাবে পাবে?”

হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক জানান, লোডশেডিংয়ের সময় বাধ্য হয়ে টর্চ লাইট ও মোমবাতির আলোয় জরুরি সেবা দিতে হচ্ছে। এতে রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও সমস্যায় পড়ছেন।

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম বলেন, “তেলের সংকটের কারণে জেনারেটর চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের ডাবল ফিডারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ডাবল ফিডার চালু হলে আশা করছি বিদ্যুৎ সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জেনারেটর সচল করে হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক, যাতে জরুরি মুহূর্তে রোগীরা ভোগান্তিতে না পড়েন।

Share: