কণ্ঠশিল্পী রাত্রি চৌধুরী উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ঈদে বাহারি সংগ্রহ নিয়ে এসেছে তার অনলাইন পোশাক বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কেআরপি'এস কালেকশন। ইতিমধ্যে এটি একটি নান্দনিক, রুচিশীল, পছন্দসই পোশাকের বিশ্বস্ত অনলাইন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। হাঁটি হাঁটি পা পা করে এই অনলাইন প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেছিল ২০১৭ সালে। তবে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী ব্যক্তিগত জীবনে একজন সংগীতশিল্পী হওয়ায় ওই সময়ে তার সংগীত জীবনের ব্যস্ততম সময় পার করেছেন সুর - তাল - লয় নিয়ে। তাই শুরুতে খুব একটা সময় দিতে পারছিলেন না।
আট বছর আগে সংগীতশিল্পী রাত্রি চৌধুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কেআরপি'এস কালেকশন দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ সালের শুরুতে নতুন করে পথচলার শুভ সূচনা করেছে গেলো পহেলা বৈশাখে। এই দিনে বাঙালির মনে নতুন আশা ও উদ্দীপনার সঞ্চার করে। জাতি - ধর্ম - বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙালি এই দিনে একসাথে মিলিত হয়ে উৎসবের আমেজ উপভোগ করে। বাঙালির সবচেয়ে বড় এই অসাম্প্রদায়িক উৎসবে রাত্রি চৌধুরী'র প্রাণের প্রতিষ্ঠান নব উদ্যমে সাফল্যের অভিযাত্রী হয়েছে।
নতুন করে পথচলার ক্ষেত্রে বৈশাখী উৎসবকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে গায়িকা - উদ্যোক্তা রাত্রি চৌধুরী বলেন, পুরোনো বছরের জরাজীর্ণতা ও দুঃখ মুছে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোই বৈশাখী উৎসবের মূল ভাবনা। এই উৎসবে বাঙালিরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নারীরা লাল - সাদা শাড়ি ও পুরুষরা পাঞ্জাবি পড়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ঘরে ঘরে তৈরি হয় রকমারি মিষ্টি ও পান্তা - ইলিশের আয়োজন।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ কেবল উৎসব নয়, এটি বাঙালি জাতির পরিচয়, ঐতিহ্য ও ঐক্যের প্রতীক। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় - আমরা সবাই মিলে যেকোনো সংকটের সমাধান করতে পারি। এবারের বৈশাখে, খাদি সুতির পাঞ্জাবি, সুতি শাড়ি ও থ্রীপিস নিয়ে কেআরপিএস এর বৈশাখী সাজানো হয়েছিল। আসন্ন ঈদে শাড়ি, পাঞ্জাবি, মেয়েদের সালোয়ার কামিজ, ছেলে বাচ্চাদের ফতুয়া, পাঞ্জাবি ও মেয়ে বাচ্চাদের রেডি শাড়ি এবং ছোট বাবুদের সুতির নীমা সেট পাওয়া যাচ্ছে। একই প্রতিষ্ঠানে পাবেন পুরো পরিবারের শপিং।