ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার আসামিদের বাংলাদেশে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানো হবে কি না বা তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশি কর্তাদের অনুমতি দেওয়া হবে কি না—জানতে চাওয়া হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি কোনো জবাব দেননি।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে তার বাইরে বাড়তি কিছু বলার নেই।
আরেকটি প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশের ডিজিএফআই প্রধানের ভারতে আসা ও ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা নিয়ে। উত্তরে তিনি শুধু বলেন, ডিজিএফআই প্রধান ভারতে এসেছিলেন। রাইসিনা ডায়ালগের অবসরে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলে থাকতে পারেন।
বাংলাদেশ অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে ভারতকে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ ভারত বিবেচনা করছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ এ ধরনের অনুরোধ করেছে। ভারতের প্রয়োজন এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখে সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোতে বড় আকারে পরিশোধিত পেট্রোপণ্য রফতানি করে থাকে। বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহ করার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে। সেই অনুরোধ বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।