Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
Home / রাজশাহী বিভাগ / সারাদেশ / জয়পুরহাট / জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ইউএনওর অফিস কক্ষে সাংবাদিকের উপর হামলা ও মারপিট - Chief TV

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ইউএনওর অফিস কক্ষে সাংবাদিকের উপর হামলা ও মারপিট - Chief TV

2026-04-29  জুয়েল শেখ, জয়পুরহাট প্রতিনিধি  41 views
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ইউএনওর অফিস কক্ষে সাংবাদিকের উপর হামলা ও মারপিট - Chief TV

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে সংবাদ প্রকাশের জেরে ইউএনও'র কক্ষে হামলার শিকার হয়েছেন আমানউল্লাহ আমান নামে এক সাংবাদিক। তিনি দৈনিক কালবেলার ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা-উপজেলার সাংবাদিকরা। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় সূত্রে ও প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা চৌধুরী। এমন সময় ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক তার লোকজন নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন।

সেখানে অবস্থানরত অন্যান্য সাংবাদিকদের সাথে আমানউল্লাহ আমানও বসেছিল। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সরকারি পুকুরের মাটি ও বালু উত্তোলনের সংবাদ দৈনিক কালবেলায় প্রকাশ করার জেরে সাংবাদিক আমানউল্লাহ আমানের উপর চড়াও হোন এবং তাকে গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় পেছন থেকে বিএনপি নেতার সাথে আসা কয়েকজন কর্মী সমর্থক আমানের উপর হামলা করে মারধর করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক দৈনিক কালবেলার ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি আমানউল্লাহ আমান বলেন, সংবাদ প্রকাশের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার উপর বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক তার লোকজন হামলা ও মারপিট করে। বর্তমানে আমি চিকিৎসা নিচ্ছি। আগামীকাল অভিযোগ দায়ের করবো। আশাকরি আমি ন্যায় বিচার পাব।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দুই-এক মিনিটের মধ্যে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। তেমন বড় কোন ঘটনা ঘটেনি তবে ঠেলাঠেলি হয়েছে অন্য লোকজনের সাথে।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা চৌধুরী সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ক্ষেতলাল থানার ওসি মোক্তাদুল আলম জানান, এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাকে ফোন দিলে তার অফিসে গিয়ে আমি মারামারি দেখতে পাইনি তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ দেখি এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করি। তারপর অফিসের নিচে ৪০/৫০ জনের মতো বিক্ষুদ্ধ জনগণ দেখি।

তাদেরকে সেখান থেকে সড়িয়ে দেয়। পরে আমানউল্লাহ আমানকে তার বাড়িতে চলে যেতে বলি। আমানউল্লাহ বাড়িতে যাওয়ার সময় উপজেলা পরিষদের মেইন গেটের দিকে যেতেই তার উপর আবারও হামলার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে নিরাপদে যেতে সহযোগিতা করা হয়।


Share: