নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় রেবা বেগম (৩০) নামের এক নারীকে গলায় ও পেটে ছুরিকাঘাত করে মারাত্মক জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
গত ৮ জুলাই ২০২৬, বুধবার রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় বদলগাছী থানাধীন কোলা ইউনিয়নের পারআধাইপুর গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। আহত রেবা বেগম নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইশেবপুর ইউনিয়নের ঘোরকিন গ্রামের মৃত তারা উদ্দিনের মেয়ে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারআধাইপুর গ্রামের বুড়াকালী মণ্ডপের উত্তর পাশে, আদিবাসী উজ্জ্বলের বাড়ির নিকটে ওই নারীকে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার গলায় এবং পেটে চাকু মেরে পালিয়ে যায়। এ সময় ভিকটিমের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে অবহিত করেন।
সংবাদ পাওয়া মাত্রই বদলগাছী থানার ওসির নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় রেবা বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, এই নৃশংস হামলার সাথে ‘ভেকু চালক’ সৌখিন জড়িত থাকতে পারে। অভিযুক্ত সৌখিন বেশ কিছুদিন ধরে ওই বুড়া কালী মন্দিরের পাশের একটি পুকুর খননের কাজ (ভেকু দিয়ে মাটি কাটা) করে আসছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
বদলগাছী থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে জোরালো পুলিশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, এই নৃশংস হামলার সাথে ‘ভেকু চালক’ সৌখিন জড়িত থাকতে পারে। অভিযুক্ত সৌখিন বেশ কিছুদিন ধরে ওই বুড়া কালী মন্দিরের পাশের একটি পুকুর খননের কাজ (ভেকু দিয়ে মাটি কাটা) করে আসছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় কিছুটা চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
বদলগাছী থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে জোরালো পুলিশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।