Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / খুলনা বিভাগ / সারাদেশ / খুলনা / নদী খননের মাটিতে বিপন্ন খুলনার আশ্রয়ণ প্রকল্প: আতঙ্কে শতাধিক ভূমিহীন পরিবার - Chief TV

নদী খননের মাটিতে বিপন্ন খুলনার আশ্রয়ণ প্রকল্প: আতঙ্কে শতাধিক ভূমিহীন পরিবার - Chief TV

2026-06-15  ডেস্ক রিপোর্ট  23 views
নদী খননের মাটিতে বিপন্ন খুলনার আশ্রয়ণ প্রকল্প: আতঙ্কে শতাধিক ভূমিহীন পরিবার - Chief TV
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর, কাঁঠালতলা এবং খর্ণিয়া এলাকার সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন নদী খননের মাটির স্তূপের নিচে চাপা পড়ার উপক্রম হয়েছে।
 
যশোরের ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত নদী পুনঃখনন প্রকল্পের অপরিকল্পিত মাটি ব্যবস্থাপনার কারণে এই দুরাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতে করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা একদিকে যেমন চলাচলের পথ হারিয়েছেন, অন্যদিকে নদীগর্ভে ঘর ধসে পড়ার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

২০২৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে আপার ভদ্রাসহ ৫টি নদীর ৮১.৫ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।
 
নদী থেকে তোলা পলি ও কাদামাটি সরাসরি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের গায়ে স্তূপ করে রাখায় দেয়াল ও মেঝেতে ফাটল ধরেছে। অনেক ক্ষেত্রে জানালা দিয়ে কাদামাটি ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে। এছাড়া বাসিন্দাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় টিউবওয়েল ও টয়লেট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানীয় জল ও স্যানিটেশন সংকট।

কাঁঠালতলা প্রকল্পের বাসিন্দা ময়না সোমবার (১৫ জুন) আক্ষেপ করে জানান, মাটির অতিরিক্ত চাপের কারণে তার ঘরের দেয়াল ও পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। রান্নাঘরের দরজা ভেঙে গেছে এবং ঘরের ভেতরের পরিবেশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
 
উপায়ান্তর না দেখে অনেক বাসিন্দা নিজেরাই ঘর বাঁচাতে মাটি সরানোর চেষ্টা করছেন। ২০২১ সালে জমিসহ যে ঘরগুলো পেয়ে এই ভূমিহীন মানুষগুলো আনন্দের অশ্রু ফেলেছিলেন, আজ সেই ঠিকানা হারানোর শঙ্কায় তারা দিশেহারা।

এ বিষয়ে যশোরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী স্বীকার করেছেন যে, মাটি গড়িয়ে পড়ায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং ঘরের পাশে মাটি জমেছে। তবে তার দাবি, কোনো ঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।
 
তিনি আরও জানান, নদী থেকে তোলা এই মাটি ইতিমধ্যে নিলাম করা হয়েছে এবং দ্রুতই তা সরিয়ে নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখন কেবল তাদের স্থায়ী ঠিকানায় নিরাপদে বসবাসের নিশ্চয়তা চান।

Share: