নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের উদাসীনতায় একটি বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়ডুমুরিয়া কামারপাড়া গ্রামের রতন রায়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে শুভ রায় তারাগঞ্জ উপজেলার কুশা ইউনিয়নের এক নাবালিকাকে পালিয়ে নিয়ে এসে নিজ বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করে।
জানা গেছে, গত বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বড়ডুমুরিয়া কামারপাড়া গ্রামের রতন রায়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে শুভ রায় তারাগঞ্জ উপজেলার কুশা ইউনিয়নের এক নাবালিকাকে পালিয়ে নিয়ে এসে নিজ বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করে।
বিষয়টি জানতে পেরে কয়েকজন সচেতন নাগরিক উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে না পেরে তারা স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে বিষয়টি জানান। এরপর গ্রাম পুলিশ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে ও কল করে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে বিস্তারিত জানান এবং বিয়েটি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ৯৯9 নম্বর থেকে স্থানীয় থানা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে, বার্তা পাওয়ার পরও স্থানীয় পুলিশ বা প্রশাসন ঘটনাস্থলে যায়নি।
উল্টো ছেলের পরিবারের সাথে যোগসাজশ করে ছেলে-মেয়েকে অন্য জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে থানার কর্তব্যরত অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করেন, "এটি পুলিশের কাজ নয়।"
এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মদদে তড়িঘড়ি করে বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়। বাল্যবিয়ের মতো একটি সামাজিক ব্যাধি চোখের সামনে ঘটে যাওয়ায় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন উদাসীন ভূমিকায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, "প্রশাসনের চরম উদাসীনতার কারণেই এই বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা যায়নি। সময়মতো প্রশাসন যদি দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নিত, তবে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের জীবন এভাবে নষ্ট হতো না।"
গ্রাম পুলিশ আতিকুল ইসলাম বলেন, "আমি রাত একটা থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্যারকে ফোন এবং মেসেজ করে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করি। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে বিষয়টি থানায় অবগত করি। পরে পুলিশ না আসায় মেম্বারের মেয়ে ছেলে-মেয়েটিকে বাসার পেছন দিয়ে বের করে নিয়ে গেছে।"
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সাথে একাধিকবার ক্ষুদে বার্তা ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মদদে তড়িঘড়ি করে বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়। বাল্যবিয়ের মতো একটি সামাজিক ব্যাধি চোখের সামনে ঘটে যাওয়ায় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন উদাসীন ভূমিকায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, "প্রশাসনের চরম উদাসীনতার কারণেই এই বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা যায়নি। সময়মতো প্রশাসন যদি দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নিত, তবে একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের জীবন এভাবে নষ্ট হতো না।"
গ্রাম পুলিশ আতিকুল ইসলাম বলেন, "আমি রাত একটা থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্যারকে ফোন এবং মেসেজ করে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করি। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে বিষয়টি থানায় অবগত করি। পরে পুলিশ না আসায় মেম্বারের মেয়ে ছেলে-মেয়েটিকে বাসার পেছন দিয়ে বের করে নিয়ে গেছে।"
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সাথে একাধিকবার ক্ষুদে বার্তা ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।