কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় এক প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বল্লভপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. মুক্তল হোসেন (৫০)। তিনি উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্থানীয়দের অভিযোগের পর তাকে ঘিরে রাখে এলাকাবাসী এবং পরে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই একটি পক্ষ তাকে চিকিৎসার কথা বলে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঊজানীজোড়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। সেই সূত্রে প্রধান শিক্ষক মুক্তল হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে বলে দাবি স্থানীয়দের। তারা জানান, ওই নারীর বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী নজরদারি শুরু করে।
মঙ্গলবার রাতে তিনি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা ঘর ঘেরাও করে তাকে আটক করে। পরে তাকে মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, প্রবাসী স্বামী দাবি করেছেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে ওঠা অভিযোগ সত্য নয় এবং বিষয়টি পারিবারিক একটি ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. মুক্তল হোসেন (৫০)। তিনি উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্থানীয়দের অভিযোগের পর তাকে ঘিরে রাখে এলাকাবাসী এবং পরে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এর আগেই একটি পক্ষ তাকে চিকিৎসার কথা বলে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঊজানীজোড়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। সেই সূত্রে প্রধান শিক্ষক মুক্তল হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে বলে দাবি স্থানীয়দের। তারা জানান, ওই নারীর বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী নজরদারি শুরু করে।
মঙ্গলবার রাতে তিনি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা ঘর ঘেরাও করে তাকে আটক করে। পরে তাকে মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে, প্রবাসী স্বামী দাবি করেছেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে ওঠা অভিযোগ সত্য নয় এবং বিষয়টি পারিবারিক একটি ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।