‘বাবা, আমি বাঁচতে চাই। আমারে বাঁচাও, আমি পড়ালেখা করে ডাক্তার হইতে চাই।’ মাত্র পাঁচ বছর বয়সী তাসফিয়ার মুখে এমন হৃদয়বিদারক আকুতি শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেন না তার বাবা-মা। যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলাধুলা আর স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই প্রাণঘাতী ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছে ছোট্ট এই শিশু।
৫ বছর বয়সী অবুঝ শিশু শায়রা। জন্মের কয়েক মাস পর থেকে তার মাথায় ধরা পড়ে মরণব্যাধি ব্রেন টিউমার। তার অপারেশনের খরচ যোগাতে সমাজের বিত্তবান শ্রেনীর লোকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন স্বজনরা। কন্যাশিশু শায়রা গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্দুয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রী আব্দুস সামাদের মেয়ে।